আসিফ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের একটা অনলাইন শপ চালায়। সে নিয়মিত তার নিজের ফেসবুক পেইজে, বিভিন্ন Group-এ তার পণ্যের ছবি শেয়ারের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে। তাছাড়া ফেসবুকে অ্যাডও দিয়ে থাকে প্রায়ই। এখান থেকে বেশ ভালই বিক্রি হত এতদিন।

কিন্তু হঠাৎ করেই সে লক্ষ্য করছে তার বিক্রির পরিমাণ আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে। ফেসবুক অ্যাড থেকেও আগের মত ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে না। সে অ্যাডে দ্বিগুণ খরচ করা শুরু করল। কিন্তু ২ সপ্তাহ পরে হিসাব মিলাতে গিয়ে তার মাথায় হাত। গত দুই সপ্তাহে যে পরিমাণ বিক্রি হয়েছে, তাতে লাভ তো হয়ই নি। অ্যাডের খরচই সে পুরোপুরি তুলতে পারেনি।

মাঝে এক বড় ভাইয়ের কথা শুনে SMS আর ই-মেইল মার্কেটিং করেও দেখেছে। ফলাফল অনুমতি না নিয়ে মেসেজ করার জন্য গালি আর ই-মেইল তো কেউ খুলেই দেখেনি।

এরপর চলুন নিশির সাহেবের কাছে যাই। সে ঢাকার একটি মোটামুটি নামকরা রেস্তোরার ম্যানেজার। প্রচুর ক্রেতার সমাগম থাকা তার রেস্তোরায় এখন কালে-ভদ্রে ক্রেতা আসে। আসবেই বা কেন? অলিতে-গলিতে ইদানিং রেস্তোরা চালু হচ্ছে। তার নিজের বন্ধুর ছেলে গত তিন মাসে দু’টি রেস্তোরা খুলেছে। তাও আবার তার রেস্তোরার আশেপাশেই। 🙁

 

stores-are-running-out-of-stores

 

একদিকে বিক্রি নেই, তার ওপর আবার মালিকের চাপ। হতাশ নিশির সাহেব এবার কিছু প্রচার প্রচারণার ব্যবস্থা করলেন। রেস্তোরার আশেপাশের এলাকায় কিছু পোস্টার ছাপিয়ে তা বিলি করার ব্যবস্থা করলেন, বড় কিছু ব্যানার টাঙালেন বড় রাস্তার মাথায়। দু’একদিন কিছু ক্রেতা এলেও এক সপ্তাহ পর যেই লাউ সেই কদু। দিন-রাত তার শুধু একটাই চিন্তা। ক্রেতা কোথায়? তাদের কাছে পৌঁছাব কিভাবে!!!

উপরে যাদের কথা বলা হয়েছে তারা কাল্পনিক চরিত্র (নামগুলো অবশ্য আমার প্রিয় দুই বন্ধুর )। সে যাই হোক, বর্তমানে বেশিরভাগ ব্যবসায়ীরই আসিফ এবং নিশির সাহেবদের মত অবস্থা। তাদের পণ্যের মান ভাল। সার্ভিস ভাল। কিন্তু ক্রেতা নেই!

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সমস্যাটা কোথায়? মানুষ কি পণ্য কেনা বা রেস্তোরায় যাওয়াই কমিয়ে দিয়েছে? নাকি তারাই আসল ক্রেতার কাছে পৌঁছাতে ব্যর্থ হচ্ছেন?

 

উত্তর হচ্ছে, তারা তাদের আসল ক্রেতার কাছে পৌঁছাতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

বাংলাদেশের মানুষের বিশেষ করে শহরের মানুষের আর্থিক অবস্থার দিন দিন উন্নতি হচ্ছে। তারা অনেক বেশি শৌখিন আগের চেয়ে। বিগত বছরগুলোতে তাদের ক্রয় ক্ষমতা এবং কেনার মানসিকতা দু’টোরই উন্নতি হয়েছে।

কিন্তু আমাদের ব্যবসায়ীরা তাদের কাছে সঠিক মাধ্যমে পৌঁছাতে পারছি না। ফেসবুকে সাধারণত মানুষ আসে বিনোদনের জন্য, যোগাযোগের জন্য। সেটিকে আমরা মার্কেটপ্লেস বানিয়ে ফেলেছি। ফেসবুক খুললেই এই বিজ্ঞাপণ সেই বিজ্ঞাপণ। এর ফলে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমছিল।  তাই ফেসবুক তাদের অ্যালগোরিদমে অনেক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে গত কয়েক মাসে।

আগে যে খরচে কয়েক লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়া যেত এখন সে খরচে হাজার খানেক মানুষের কাছে পৌঁছাতেও কষ্ট হয়। SMS এবং ই-মেইল মার্কেটিং করতে হলে প্রচুর সময় এবং অর্থ ব্যয় করতে হয়। আর পোস্টারিং করে খুব সামান্য কিছু মানুষের নজরেই আসা যায়। তাও খুবই সামান্য সময়ের জন্য।

তবে উপায়!!!

 

প্রথমেই বলি “Think Digital”. বাংলাদেশে প্রযুক্তির জোয়ার বইছে। ছোট থেকে বড় প্রায় সবাই এই জোয়ারে গা ভাসাচ্ছে। তাই আপনি যে ধরণের ব্যবসাই করুন না কেন সফল হতে হলে আপনাকে অবশ্যই নতুন প্রযুক্তিগুলোর সাহায্য নিতে হবে। বিগত এক বছর যাবত ডিজিটাল মার্কেটিং এর সাথে মোটামুটি সংযুক্ত থাকায় এটুকু বুঝতে পেরেছি, ডিজিটাল মার্কেটিং এক সোনার খনি। আপনি যত বেশি গভীরে যাবেন, যত নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করবেন ততই লাভ।

আমি এখানে কিছু উপায়ের কথা বলব, যেসব থেকে আপনি খুব সহজেই আপনার টার্গেটেড ক্রেতার কাছে পৌঁছে যেতে পারবেন এবং বিক্রি বাড়াতে পারবেনঃ

 

১। পুরনো ক্রেতাদের ফিরিয়ে আনুনঃ গবেষণায় দেখা যায়, একজন নতুন ক্রেতা তৈরিতে যে খরচ হয়, একজন পুরনো ক্রেতাকে ফিরিয়ে আনতে তার ৩ ভাগের ১ ভাগ খরচ করতে হয়। তাহলে কেন নতুন ক্রেতার পেছনে ছুটে পুরনোদের ভুলে যাবেন! যাদের কিনা খুব সহজেই চাইলে আবার আপনার পণ্য বা সার্ভিসের দিকে আকৃষ্ট করতে পারেন।

new vs returning customer -offerage

আপনার কাছ থেকে যারা কোন পণ্য বা সার্ভিস নিচ্ছে তাদের মোবাইল নম্বর বা ই-মেইল জমা করা শুরু করুন। নানা উৎসবে তাদের শুভেচ্ছা মেসেজ পাঠান, আপনার কোন বিশেষ অফার থাকলে সেগুলো সম্পর্কে জানান। মোট কথা সম্পর্ক ধরে রাখুন। এরাই আপনার ব্যবসাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

 

২। ফেসবুকের সঠিক ব্যবহারঃ ফেসবুক এখন পর্যন্ত কোন পণ্য বা সেবার প্রচারণার জন্য সবচেয়ে ভাল এবং সস্তা মাধ্যম। কিন্তু এর ব্যবহারে আমাদের আরো চতুর হতে হবে। গৎবাঁধা ফেসবুক বুস্ট করে এখন আর ভাল ফল পাওয়া সম্ভব নয়।

ফেসবুক তাদের ব্যবহারকারীরা যাতে অ্যাডের দ্বারা বিরক্ত না হয় এরকম অনেক ভাল এবং আকর্ষণীয় অ্যাড ফরমেট নিয়ে এসেছে, সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন। ফেসবুক থেকে সরাসরি বিক্রির চিন্তা না করে আপনার ক্রেতাকে আপনার পণ্য সম্পর্কে জানানো বা লিড ( যেমনঃ ই-মেইল অ্যাড্রেস) কালেকশনের চেষ্টা করুন।

আপনার ওয়েবসাইট থাকলে রি-টার্গেটিং ফিচারটি ব্যবহার করে পুরনো ক্রেতা বা ভিজিটরকে খুব সহজেই আকর্ষণ করতে পারেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত পাবেন এখানে

এছাড়া চেষ্টা করুন টার্গেটেড অডিয়েন্স ছোট রাখতে। অনেককেই দেখা যায় ১ ডলারের অ্যাডে টার্গেট করেন পুরো বাংলাদেশ। এসব অ্যাড থেকে কখনই ভাল ফল পাবেন না। বাজেট কম হলে ছোট ছোট এলাকা ভিত্তিক অ্যাড চালাতে পারেন এবং ইন্টারেস্টও খুব যত্নসহকারে ঠিক করুন।

 

৩। আপনার পণ্যের সাথে সম্পর্ক আছে এমন ব্লগঃ ইন্টারনেটের এই যুগে কেউ কোন পণ্য কেনার আগে অবশ্যই ইন্টারেনেটে একবার ঢুঁ মারে পণ্যটি সম্পর্কে জানার জন্য। এছাড়া যারা আপনার পণ্য সম্পর্কিত ব্লগের নিয়মিত পাঠক তারা আপনার টার্গেটেড কাস্টমার বলাই বাহুল্য।

তাই যদি আপনি আপনার পণ্য বা সেই সম্পর্কিত পণ্য নিয়ে লেখালেখি করে তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। তাদেরকে আপনার পণ্য সম্পর্কে রিভিউ লিখতে বলতে পারেন। এছাড়া তাদের কাছে হয়তো তাদের নিয়মিত পাঠকদের ই-মেইল, মোবাইল নম্বর পেতে পারেন। সেগুলো কাজে লাগালে খুব সহজে কম সময়ের মধ্যে আপনি আপনার সুপার টার্গেটেড ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে যাবেন সহজেই।

 

৪। ক্ল্যাসিফাইড সাইটঃ ক্ল্যাসিফাইড সাইটগুলোতে সাধারণত ক্রেতারাই নিজেদের মধ্যে কেনাবেচা করে। তবে ব্যবসায়ীরাও এসব সাইটে তাদের পণ্য বিক্রি করতে পারেন বা তাদের ব্যবসা সম্পর্কে মানুষকে জানাতে পারেন।

 

bikroy.com-offerage

 

Bikroy.com এর নাম শোনেনি এমন মানুষ বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া যাবে না। এটিও একটি ক্লাসিফাইড সাইট। এর মত অনেক সাইট আছে যাদের মাসিক ভিজিটর লাখের ঘরে। এসব সাইট থেকে প্রচুর ভিজিটর এবং কাস্টমার পাওয়া সম্ভব। যদিও এখানে সবাই আপনার টার্গেটেড কাস্টমার না। তবে এদের দৈনিক যে পরিমাণ ভিজিটর আছে তাতে আপনি খুব সহজেই আপনার টার্গেটেড ক্রেতা পেতে পারেন এদের মাঝ থেকে। এছাড়া এসব সাইটগুলো এলাকা ভিত্তিক অ্যাড শো করে। তাই আপনার লোকাল কোন ব্যবসাও এসব সাইট থেকে উপকৃত হতে পারে।

 

যদি অন্য কোন মাধ্যমে আপনি এখনও মার্কেটিং না করে থাকেন, তবে আমি সাজেস্ট করব Bikroy.com এর মেম্বারশিপ নিয়ে দেখতে পারেন (Bikroy.com এটা বলার জন্য আমাকে এক টাকাও দেয়নি)।

নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। Bikroy.com এ পুরনো টেবিল বিক্রির অ্যাড পোস্ট করেছিলাম গত মাসে। ফোনের জ্বালাতনে অ্যাড ডিলেট করে দিয়েছিলাম। তারপরের দুই দিনও ২-১ টা কল পেয়েছি। হবে নাই বা কেন! প্রতিদিন Bikroy.com এর ভিজিটর প্রায় 80 হাজারের মত (ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত তথ্য)। তাদের কিছু মেম্বারের সাথে কথা বলেও জেনেছি তারা খুবই সন্তুষ্ট। সুতরাং তাদের মেম্বারশীপ নিয়ে দেখতে পারেন।

 

৫। অফার এবং কুপন মার্কেটপ্লেসঃ অফার বা কুপন মার্কেটপ্লেসের ধারণাটি বাংলাদেশে নতুন হলেও বাইরের দেশগুলোতে এগুলো বহুল ব্যবহৃত।

পণ্য আগে বেশ কয়েকটি ধাপ সম্পন্ন করে। প্রথমে তারা কোন পণ্য সম্পর্কে আগ্রহী হয়। সেটি নিয়ে ইন্টারনেটে সাধারণত ঘাঁটাঘাঁটি করে। রিভিউ পড়ে। এরপরের ধাপ হচ্ছে সেই পণ্যের দামের ওপর কোন ছাড় আছে কিনা তার খোঁজ নেয়া।

তার মানে অফার বা ছাড় খোঁজা হচ্ছে কোন পণ্য কেনার সবচেয়ে শেষের এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মোটামুটি ভাল মানের কোন অফার বা ছাড় দিয়ে আপনি খুব সহজেই আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে কোন ক্রেতাকে আপনার পণ্যটির দিকে আকৃষ্ট করতে পারেন।

 

offerage cover

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, প্রথমে পণ্যের দামের ওপর ছাড় দিচ্ছি। তারপর আবার সেটির মার্কেটিং করতে হবে। লাভ হবে কিভাবে? এ ধারণা থেকেই অফার মার্কেটপ্লেসগুলোর জন্ম। এরাই আপনার মার্কেটিং এর দায়িত্ব নেয় এবং আপনার পণ্যের সর্বোচ্চ প্রচার নিশ্চিত করে।

এসব মার্কেটপ্লেসগুলোতে ব্যবসায়ীরা তাদের পণ্যের ছাড় সম্পর্কে ক্রেতাদের জানানোর সুযোগ পায়। ক্রেতারা যেহেতু জানে একই জায়গায় সব পণ্য বা সেবার অফারের খোঁজ পাওয়া যাবে তাই তারা প্রায়ই এবং পণ্য কেনার আগে অবশ্যই এসব মার্কেটপ্লেসগুলোতে ঢুঁ মারে। আপনার অফার যত ভাল হবে এসব ঢুঁ মারা পাবলিককে আপনার ক্রেতা বানানোর সম্ভবনাও তত বাড়বে।

বাংলাদেশেও বেশ কয়েকটি অফার প্ল্যাটফর্ম রয়েছে বর্তমানে। OfferAge.com তাদের মধ্যে অন্যতম ( মানে যেখানে আর্টিকেলটি পড়ছেন আর কি!)।

 

এসব মার্কেটপ্লেসের সুবিধাগুলো আমি বিস্তারিতভাবে বলছিঃ

 

১। ফ্রি মার্কেটিং এর সুযোগঃ অনেক মার্কেটপ্লেস ক্রেতাদের কাছে কুপন বিক্রি করলেও, বেশিরভাগ অফার মার্কেটপ্লেসই ফ্রি সার্ভিস দিয়ে থাকে। এসব মার্কেটপ্লেসে ক্ল্যাসিফাইড সাইটগুলোর মতই প্রতিদিন প্রচুর ভিজিটর আসে। তাই ফ্রি মার্কেটিং এর এই সুযোগ নিশ্চই আপনি হাত ছাড়া করতে চাইবেন না। আমাদের OfferAge.com থেকে আমরা ক্রেতা বা বিক্রেতা কারো কাছ থেকেই কোন চার্জ নিচ্ছি না। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি সার্ভিস।

 

২। নতুন ক্রেতা পাওয়ার সুযোগঃ আপনার সম্পর্কে কোন ধারণাই রাখে না এমন একজনকেও আপনি আপনার আকর্ষণীয় অফারের মাধ্যমে আপনার ক্রেতা বানাতে পারেন খুব সহজেই।

 

৩। তৈরি ক্রেতাঃ এসব মার্কেটপ্লেসে তারাই বেশি আসে যারা নির্দিষ্ট টাইপের পণ্য বা সেবা কিনবে বলে মনস্থির করেছে। এর ফলে আপনি তৈরি ক্রেতা পাচ্ছেন। শুধু খেয়াল রাখতে হবে অফারটা যেন আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ভাল হয়। এসব অফারের মাধ্যমে আপনার পুরনো ক্রেতাদেরও ফিরে পাওয়ার সুযোগ থাকে।

 

৪। দ্রুত বিক্রির সুযোগঃ ধরুণ শীত প্রায় শেষের দিকে। আপনার স্টকে এখনো প্রচুর পণ্য পড়ে আছে যেগুলো দ্রুত বিক্রি কয়া প্রয়োজন। এরকম পরিস্থিতিতে এসব মার্কেটপ্লেস সবচেয়ে ভাল ভূমিকা রাখতে পারে। যে কোন মার্কেটপ্লেসে ভাল সাইজের (৩০%-৪০%) একটি অফার পাবলিশ করুন। অফার যত ভাল হবে পণ্য বিক্রির সম্ভবনাও তত বেশি। যদি কোন মার্কেটপ্লেসের প্রথম পাতায় ফিচারড হতে পারেন, তবে দেখবেন খুব কম সময়ের মধ্যে আপনার পণ্য বিক্রি হয়ে গেছে।

 

৫। টার্গেটেড কাস্টমার পাওয়ার সুযোগঃ কুপন সাইটগুলোর কাছে এলাকা ভিত্তিক প্রচুর মানুষের তথ্য থাকে। কারণ ক্রেতারা তাদের সাইটে রেজিস্ট্রেশন করে অফারের খবর সঠিক সময়ে পাওয়ার জন্য। আপনি চাইলে এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন। মার্কেটপ্লেসের সাথে যোগাযোগ করে আপনি এলাকা ভিত্তিক মার্কেটিং করতে পারেন। এর জন্য হয়তো আপনাকে কিছু চার্জ দিতে হতে পারে।

 

এ সবগুলো সুযোগ আপনি পেতে পারেন আমাদের মার্কেটপ্লেস OfferAge.com-এ  আপনার ব্যবসাকে রেজিস্ট্রেশন করানোর মাধ্যমে। ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করুন, আপনার জন্য আলাদা একটি স্টোর পেইজ দেয়া হবে। স্টোর লাইভ হলেই আপনার অফারগুলো পাবলিশ করা শুরু করতে পারবেন।

আমাদের মার্কেটপ্লেসটি আফিশিয়ালি যাত্রা শুরু করেছে গত ৩১ জুলাই। ইতোমধ্যে আমাদের লোকাল মার্চেন্ট সংখ্যা ৩০+। ইন্টারন্যাশনাল কিছু মার্চেন্টও রেজিস্ট্রেশন করেছে। সাবস্ক্রাইবারের সংখা ৫০০ ছাড়িয়েছে। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় গর্বের বিষয়। আশাকরি আমরা বাংলাদেশের শপিং ইন্ডাস্ট্রিতে বিশাল ভূমিকা রাখতে পারব অদূর ভবিষ্যতে। আমাদের এই যাত্রায় সবাইকে সাথে পাব আশাকরি।

যাই হোক। আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান থেকে আপনাদের ক্রেতা বৃদ্ধির কিছু দিক নির্দেশনা দেয়ার চেষ্টা করলাম। তবে কাস্টমার বেইস, ব্যবসার স্থান এসবের ওপর নির্ভর করে আপনাকে আপনার ব্যবসার প্রসারের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে হবে।

তবে আপনাকে সাহায্য করার জন্য আমরা সদা প্রস্তুত। যে কোন প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আপনার সফলতা আমাদের একান্ত কাম্য।

5 thoughts on “প্রিয় ক্রেতা, আপনারা কোথায়?”

সাইফ

আপনাদের সাইটে রেজিস্ট্রশন করে ফেলেছি। সুন্দর লিখেছেন।

Mazharul Islam

Haha. Nice articel. best of luck

Sifat Ahmed

how can i register

Jahangir Hasan

ভাল

Kamal Rahman

tnx for the great write up

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

fifteen + 17 =